Εικόνες σελίδας
PDF
Ηλεκτρ. έκδοση

Geography.

Morning Paper. 1. Give a comparative description of Great Britain, France, and Russia.

2. What republics are there in America ? Give a description of each, and state of what countries they were formerly colonies.

3. Describe the courses of the Mississippi, the Paraguay, the Euphrates, the Indus, the Brahmapootra, and the Irrawady.

4. What four rivers have their sources in the Altain range, and in what lakes have the Sutledge, the Oxus, and the Oby, their sources ?

5. Describe the situations of lake Chad, the desert of Shams, the Volcano Demavend, the Prairies, the Pampas, Gibraltar, Singapore, Hong-Kong and Demerara. And on what islands are Stockholm, Copenhagen, Venice and Cape Horn?

6. Give an account of the mountain chains of Asia, their situations, directions, extent, and elevations. Where is Kunchinginga, the highest known mountain ?

Give a description of the Northern Provinces and States of India, their situations, chief cities, &c., name those under British protection, and those which are independent.

Afternoon Paper. 1. The day, hour, and place, being given, how may we find by the globe, where the sun is then rising or setting, and where it is noon, or midnight?

2. If the time at Greenwich indicated by a chronometer, be 2 hrs. 6 m. 30 s. at the same instant that it is 8 o'clock in Calcutta, what is the longitude of Calcutta ? and for the same instant what time will it be at Bombay, the longitude of which is 72° 49' 19".

3. What are the trade winds and the Monsoons? In what regions do they respectively prevail? In what directions, and at what times do they occur? Where is the region of calms ?

4. Make a map of the Atlantic Ocean, and put down the situation of the principal capes, seaports, islands, &c.

5. Make a map of the Malay Peninsula, including China, and the Philippine and Sunda islands.

English Translation.

USE OF TIME-PUNCTUALITY-AND DISPATCH.

Morning Paper.

Very few persons are good economists of their fortune, and still fewer of their time; and yet of the two the latter is the more precious. Young people are apt to think they have so much time before them, that they may squander what they please of it, and yet have enough left; as the possession of very great fortunes has frequently seduced people to a ruinous profusion-fatal mistakes, always repented of, but always too late. “ Time is every man's estate.”

I would earnestly recommend the care of those minutes and quarters of hours, in the course of the day, which people sometimes think too short to deserve their attention : and yet, if summed up at the end of the year, would amount to a very considerable portion of time.

Many people lose a great deal of their time by laziness, they loll and yawn in a great chair, telling themselves that they have not time to begin any thing then, and that it will do as well another time. This is a most unfortunate disposition, and the greatest obstruction, to both knowledge and business. Young persons have no right nor claim to laziness : being but just listed in the service of the world, they must be active, diligent, and indefatigable. Never put off till to-morrow what you can do to-day.

One method I will recommend to you, by which I have found great benefit in every part of my life: that is, to rise early; and at the same hour every morning, how late soever you may have sat up the night before. This secures you an hour or two, at least, before the common interruptions of the morning begin.

Our lives, says Seneca, are spent either in doing nothing at all, or in doing nothing to the purpose, or in doing nothing that we ought to do. We are always complaining that our days are few, yet acting as though there would be no end of them: and though we, in general, seem grieved at the shortness of life, we are wishing every period of it at an end. The youth longs to be of age, then to be a man of business, then to make up an estate, then to arrive at honours, then to retire.

G

Bengali Translation.

Afternoon Paper.

অথ সত্যবীর কথা।

পূৰ্ব্বকালে হস্তিনা নগরে মহামল্ল নামে এক যবনরাজ ছিলেন তিনি সমুদুপৰ্যন্ত ভূমণ্ডল শাসনকরিয়া রাজ্য করেন। মহামল্পের ঐশ্বৰ্য্যাসহনশীল কাফররাজ সৈন্য সমূহেতে বেষ্টিত হইয়া মহা মল্লের সহিত যুদ্ধ করিতে তাহার নিকটে গেলেন। যুবনেশ্বর কাফররাজকে নিকটোপস্থিত জানিয়া বাহ্নীক দেশজ এবণ অন্য দেশীয় লক্ষ লক্ষ অশ্বেত্তমেতে পরিবৃত হইয়া নগরােপান্তে গিয়া সমর স্বীকার করিলেন । তদনন্তর উভয় পক্ষের যুদ্ধে যবনরাজের যােদ্ধা সকল কাফররাজের বলবান বীরগণ কর্তৃক তাড্যমান হইয়া রণভূমি হইতে পলায়ন করিল। পশ্চাৎ যেমন সিহভয়েতে হস্তিযূথ পলায়ন করে সেই প্রকার মরণ ভয়ে পলায়মান নিজ যােদ্ধাগণকে দেখিয়া যবনেশ্বর কহিতেছেন হে আমার যােদ্ধা সকল তােমারদের মধ্যে রাজা কিম্বা রাজপুত্র এমত কেহ নাই যে সম্রতি অরি ভয়েতে ভয় আমার সেনাগণকে নিজ বাহুবলে কিঞ্চিৎকালের নিমিত্তে স্থির করিতে পারে। যবনস্বামির এই বাক্য শুনিয়া কর্ণাটজাতি নরসিংহদেব নামা রাজকুমার এব° চৌহানজাতি চাচিকদেব নামে এক রাজপুত্র এই দুই জন রাজাকে নিবেদন করিলেন হে স্বামি নীচগামি সলিল প্রায় শত্রুভয়ে পলায়মান যে তােমার সেনাগণ তাহারদিগকে সম্ভতি কে নিবারণ করিতে পারে, যদি আপনি একঙ্কণ ইতস্তততা ভুমণ করিয়া এখানে পুনশ্চ আসিয়া দেখেন তবে আমরা তােমার শত্রুকে খড়গ ধারের পরিচিত কিম্বা চিতাশায়ী করি।

যবনাধিপতি কহিলেন তােমরাই সাধু তােমাদের দুই জন ব্যতিরেকে অন্য কোন পুরুষ এমত সাহস করিতে পারে। তাহার পর নরসিহদেব সাহস স্ফুরিতবাহু হইয়া বজ্রপাতের ন্যায় কশাঘাতে অশ্বকে শীঘ্রগামী করিয়া এবণ বিপক্ষবর্গের অলক্ষিত হইয়া কাফর রাজের সৈন্যমধ্যে প্রবেশ করিলেন। পরে নরসিহদেব অতিশয় উদ্দীপ্ত শ্বেতচ্ছত্রের তলস্থিত কাফররাজের হৃদয়ে শল্যাস্ত্র প্রহার করিলেন। কাফররাজ সেই অস্ত্র প্রহারে প্রাণ ত্যাগ করিয়া ভূমিতে পড়িলেন। সেই কালে চাচিকদেৰ ভূতলে পতিত এব°, ত্যাক্ত জীবন সেই কাফররাজের মস্তক চ্ছেদন করিয়া যবনেশ্বরের নিকটে আনিয়া দিলেন। যবনরাজ ছিন্ন মস্তক দেখিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন এ মস্তক কাহার। চাচিকদেব উত্তর করিলেন এ মস্তক কাফররাজের। যবনরাজ পুনশ্চ জিজ্ঞাসা করিলেন কোন বীর কাফররাজকে নষ্ট করিয়াছেন। চাচিকদের উত্তর করিলেন হে রাজাধিরাজ অনুপম পরাক্রম এব৭ নরশ্রেষ্ঠ নরসিহদেব কাফররাজকে নষ্ট করিয়াছেন আমি তাঁহার পশ্চাৎ গমন করিয়া কাফররাজের শিরচ্ছেদন করিলাম। যবনস্বামী পুনৰ্ব্বার জিজ্ঞাসা করিলেন নরসিহদেব কোথায় আছেন। চাচিকদেব কহিলেন হে ভূপাল কাফররাজের সন্নিধিবৰ্ত্তী এবণ স্বামি সহার জন্য কোপে কল্পিত কলেবর এমত বীরগণ কর্তৃক হন্যমান প্রায় নরসিহদেবকে দেখিয়াছি সম্রতি তিনি কোথায় গিয়াছেন এবং কোথায় আছেন তাহা আমি জানি না। সেইক্ষণে যুবনেশ্বর হত নায়ক পলায়মান শত্রু সেনা সকলকে দেখিয়া পরমালাদিত হইলেন এবণ পলায়িত বিপক্ষ সৈন্যের পশ্চাদ্ধামী নিজ সেনাগণকে কহিলেন হে আমার যােদ্ধাগণ তােমরা কেন শত্রু সেনাগণকে নষ্ট করিতেছ সম্রতি আমার রাজ্য রক্ষাকর্তা এ কাফররাজান্তক যে নরশ্রেষ্ঠ নরসিহদেব তাহাকে আনিয়া দেও। পরে যবনরাজ অনুসন্ধান করিয়া অনেক নারাচাস্ত্র প্রহারেতে ছিন্ন ভিন্ন শরীর এব গলিত রুধিরের সহসসহ ধারাতে স্ফুটিত কিন্তক পুষ্পের ন্যায় ও অতিশয় বেদনাতেমুচ্ছিত নরসিণ হদেবকে দেখিয়া তৎক্ষণাৎ ঘােটক হইতে নামিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন হে নরসিহদেব তুমি বাঁচিৰা। নরসিহদেব উত্তর করিলেন হে রাজাধিরাজ আমি যাহা করিয়াছি আপনি তাহা অবগত হইয়াছেন। নরপতি প্রত্যুত্তর করিলেন যে চাচিকদেব কহিলেন যে তুমি আমার যে শত্রু বিনাশ করিয়াছ তাহাতেই আমি তােমার সমস্ত কাৰ্য্য জানিয়াছি। নরসিহদেব কহিলেন আমি যাহার হিতেচ্ছাতে অতিশয় দুঃসাধ্য কৰ্ম্ম স্বীকার করিয়াছিলাম যদি তিনি সে সকল জ্ঞাত হইয়াছেন তাহাতেই আমার শ্রমরূপ বৃক্ষ ফলবান হইল অতএব আমি দীর্ঘ জীবী হইব। তদনন্তর যবনরাজ নরসিংহদেবের শরীরে অতিশয় মগ্নবাণ সকল উদ্ধার করিয়া এবং নানা প্রকার ঔষধ সেবন ও পথ্য প্রয়ােগেতে অল্প দিনের মধ্যে নরসিংহদেবকে অক্ষত শরীর করিলেন। পরে যবনরাজ সহসং

উত্তমাশ্ব ও লক্ষ স্বর্ণ আর ছাত্র এব° চামর আর অনেক অর্থ দিয়া নরসিহদেবের পুরস্কার করিলেন। প্রসাদ প্রাপ্ত হইয়া নরসিহদেব যবনরাজকে নিবেদন করিলেন হে রাজাধিরাজ যুদ্ধ করা রাজ পুত্রদের স্বাভাবিক ধৰ্ম্ম আমি কি অদ্ভুত কৰ্ম্ম করিলাম যে আমার এতাদৃশ সম্মান করিলেন সে যাহাহউক যদি আমার পুরস্কার বিহিত হইল তবে চাচিকদেবের সম্মান করুন তিনি সত্য প্রতিপালনের নিমিত্তে মহারাজের নিকটে শত্রুর মস্তক আনয়ন করিয়া ও আমার যশঃপ্রশসা করিয়াছেন স্বকীয় পুরুষার্থ প্রকাশ করেন নাই ইনি মারণ চিহ্ন যে শত্রু মস্তক তাহা আনিয়াও আমি বৈরি বিনাশ করিয়াছি ইহা কহেন নাই তন্নিমিত্তে প্রথমত চাচিকদেরের পুরস্কার কর্ত্তব্য।

« ΠροηγούμενηΣυνέχεια »